Saturday, July 13, 2024
বাড়িআইন-আদালত৭ মার্চকে ঐতিহাসিক জাতীয় দিবস ঘোষণার নির্দেশ

৭ মার্চকে ঐতিহাসিক জাতীয় দিবস ঘোষণার নির্দেশ

উত্তরণ ডেস্ক: ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা’ – ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) দাঁড়িয়ে লাখো জনতার উদ্দেশ্যে এ ভাষণ দিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ঐতিহাসিক ভাষণের সেই দিনটিকে ‘ঐতিহাসিক জাতীয় দিবস’ ঘোষণা করে এক মাসের মধ্যে গেজেট জারির জন্য নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে মুজিববর্ষের মধ্যে দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল (প্রতিকৃতি) স্থাপন করতে বলা হয়েছে। আদালতের এ আদেশ বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ-সংক্রান্ত রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ২৫ ফেব্রুয়ারি এই আদেশ দেন।
এছাড়া পাঠ্যপুস্তকে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সংবলিত ইতিহাস কেন অন্তর্ভুক্ত এবং বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের স্থলে কেন লিবার্টি টাওয়ার স্থাপন করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিবাদীকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। ২৫ ফেব্রুয়ারি রিটের পক্ষে রিটকারী আইনজীবী ড. বশির আহমেদ এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার শুনানি করেন।
১৯৭১ সালের ৭ মার্চকে ঐতিহাসিক জাতীয় দিবস ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ড. বশির আহমেদ। রিটে বলা হয়, বিভিন্ন দেশের ৭৭টি ঐতিহাসিক নথি ও প্রামাণ্য দলিলের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে ‘ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’ হিসেবে ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্ট্রারে’ যুক্ত করেছে ইউনেস্কো। ২০১৭ সালে করা ঐ রিটের ওপর রুল জারি করেন আদালত। ঐ রুলের শুনানিতে অন্তর্বর্তীকালীন এ আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আরও পড়ুন
spot_img

জনপ্রিয় সংবাদ

মন্তব্য