Friday, February 23, 2024
বাড়িউত্তরণ ডেস্কশ্রমিকদের কল্যাণে আমরা সব সময় আন্তরিক

শ্রমিকদের কল্যাণে আমরা সব সময় আন্তরিক

উত্তরণ ডেস্ক: গত ৯ নভেম্বর রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় শ্রমিক লীগের ত্রয়োদশ ত্রি-বার্ষিক কেন্দ্রীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রমিক লীগকে শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রমিকদের কল্যাণে আমরা সব সময় আন্তরিক ও সেটা যে কোনো শ্রেণিই হোক না কেন। মানুষকে আমরা মানুষ হিসেবে গণ্য করি। তাদের শ্রমের মর্যাদা দিই। তাই আমি আশা করি, আমাদের শ্রমিক লীগ উপযুক্ত শ্রমিক লীগ হিসেবে গড়ে উঠবে। শ্রমিক-শ্রেণির কল্যাণে তারা কাজ করবে। তারা তা করে যাচ্ছে। আগামীতেও সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন যে কমিটি আসবে, এই শ্রমিক-শ্রেণির কল্যাণে তারা কাজ করবেন। শ্রমিকদের উন্নত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সরকার সব ধরনের কাজ করে যাচ্ছে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশের যথেষ্ট পারদর্শিতা অর্জনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় আমরা ইতোমধ্যে যথেষ্ট পারঙ্গমতা অর্জন করেছি। জনসাধারণের জানমাল রক্ষার জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছি এবং দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য ইতোমধ্যে আমরা ট্রাস্ট ফান্ড করে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং বিশ্ব উন্নয়ন থেকে বাংলাদেশ যেন রক্ষা পায় সেই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। আমি মনে করি, পৃথিবীতে বাংলাদেশই মনে হয় একমাত্র দেশ, যেখানে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সকাল পৌনে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনস্থলে উপস্থিত হলে শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা তাকে স্বাগত জানান। এ-সময় জাতীয় সংগীতের তালে তালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় পতাকা ও শ্রমিক লীগের সভাপতি শুকুর আলী সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করেন। মঞ্চের পাশে জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা নিজ নিজ জেলার সাংগঠনিক পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর দেশের বিশিষ্ট গণসংগীত শিল্পী ফকির আলমগীরের নেতৃত্বে শিল্পীরা বঙ্গবন্ধু ও শ্রমিকদের নিয়ে লেখা গান পরিবেশন করেন।
জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের পরিচালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি, শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ান এমপি, আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তি সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কান্ট্রি ডিরেক্টর টুমো জোহানেস পউটিয়ানে, আন্তর্জাতিক ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশনের এশিয়া প্যাসিফিকের (আইটিইউসি-এপি) জেনারেল সেক্রেটারি শোভা ইওশিদা এবং দক্ষিণ এশিয় আঞ্চলিক ট্রেড ইউনিয়ন কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক লক্ষণ বাহাদুর বাসনেত বক্তব্য রাখেন। শোক প্রস্তাব পাঠ করেন শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম। পরে দ্বিতীয় অধিবেশনে শ্রমিক লীগের আগামী তিন বছরের জন্য নতুন কমিটি নির্বাচন করা হয়। শ্রমিক নেতা ফজলুল হক মন্টু সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কেএম আযম খসরু নির্বাচিত হয়েছেন। কার্যকরী সভাপতি করা হয়েছে মোল্লা আবুল কালাম আযাদকে।
শ্রমিক লীগের সম্মেলনের উদ্বোধন করে শেখ হাসিনা দীর্ঘ বক্তব্যে শ্রমিকদের জন্য তার পিতা বঙ্গবন্ধুর নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। শ্রমিকদের জন্য তার সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান আন্দোলন ও তার সমালোচনা করেন তিনি। এ-সময় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সতর্ক করে তিনি বলেন, স্বাধীনতা ভালো, তবে তা বালকের জন্য নহে।
শ্রমিকদের ভাগ্য পরিবর্তনে বঙ্গবন্ধুর গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা কৃষক শ্রমিক সরকারি-বেসরকারি, সামরিক-বেসামরিক সবাইকে একত্রিত করে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছিলেন। দ্রুত অর্থনৈতিক মুক্তি লাভের জন্য তিনি যে প্লাটফর্ম গড়েছিলেন তাই ছিল বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। যাকে অনেকেই বলে বাকশাল। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু বন্ধ শিল্প-কারখানাগুলোর মালিক যারা পাকিস্তানি ছিলেন সেসব কারখানা জাতীয়করণ করে পুনরায় চালু করেছিলেন। ৮২ শতাংশ মানুষ তখন দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করতেন। শ্রমিক-শ্রেণির ভাগ্য বদলে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষের জন্য কাজ করেছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তুলে বাংলাদেশকে যখন অর্থনৈতিক অগ্রগতির দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন তখন নানা ধরনের ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের শিকার হচ্ছিল বাংলাদেশ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন, গণতন্ত্র সুসংহত এবং বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা এসব লক্ষ্য সামনে নিয়ে বঙ্গবন্ধু সব দল, মত, সরকারি-বেসরকারি, সামরিকসহ সব প্রতিষ্ঠানসহ সবাইকে একত্রিত করে একটি জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, সে-সময় বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছিল। প্রবৃদ্ধি ছিল ৭-এর ওপরে। বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে চলে গিয়েছিল। আমাদের দুর্ভাগ্য সে-সময়েই এলো চরম আঘাত। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করা হলো। আমরা দু-বোন বিদেশে ছিলাম বলে বেঁচে গিয়েছিলাম। বঙ্গবন্ধুর সেই পরিকল্পনা যদি চালু হতো তাহলে আমাদের এত পিছিয়ে থাকতে হতো না। ’৭৫-পরবর্তী দীর্ঘ ২১ এবং ২০০১-পরবর্তী ৮ এই ২৯ বছর দেশের মানুষ শোষণ-বঞ্চনার শিকার হয়েছে, একমাত্র আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশের মানুষ উন্নয়ন ও অগ্রগতি দেখেছে, তার সুফল ভোগ করছে।
টানা তৃতীয়বারের মতো ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে দেশ পরিচালনার সুযোগ দেওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের ধারাবাহিকতা আছে বলে মানুষ উন্নয়নের সুফলটা পাচ্ছে। মানুষ উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখছে। শিল্পায়ন এগিয়ে যাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ আজ সবদিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে। কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষের উন্নতিই সরকারের নীতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, শ্রমিক সমাজের ভাগ্যোন্নয়নে আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই কাজ করেছে। কাজ করে যাবে। এ-সময় তিনি বর্তমান সরকারের সময় করা শিশুশ্রম নিরসন নীতিমালা ’১০, বাংলাদেশ শ্রম নীতিমালা ’১২, গার্মেন্ট শ্রমিকদের জন্য ১৭০ কোটি টাকার বীমার কথাও উল্লেখ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সালে শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি ছিল মাত্র ১ হাজার ৬০০ টাকা। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে পর্যায়ক্রমে মজুরি ৩৮৪ ভাগ বাড়িয়ে সবনিম্ন মজুরি ৮ হাজার টাকায় উন্নীত করে। পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশও শ্রমিকদের বেতন এত পরিমাণ বেতন বাড়াতে পারেনি। তিনি বলেন, ৪২ সেক্টরের শ্রমিকদের জন্য বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। শ্রমিকদের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালু হয়েছে। মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিবছর শ্রমিকদের জন্য ৫ শতাংশ হারে বেতন বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১০ টাকায় ৫০ লাখ মানুষকে চাল দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছি। গার্মেন্ট শিল্প থেকে শুরু করে সবক্ষেত্রে আমরা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছি।
গত এক দশকে যে পরিবর্তন হয়েছে পঁচাত্তর-পরবর্তী সময়ে এমন উন্নয়ন আর হয়নি উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, এ সময়ে শুধু সামরিক ক্যু হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে এখন যারা অনেক বড় বড় কথা বলছেন, তখন তাদের কোনো কথা বলতে শুনিনি। বরং তাদের পদলেহন করতে দেখেছি। এটা হলো বাস্তব। আমরা সরকারে এসে শ্রমিকদের অবসরের বয়সসীমা ৫৭ থেকে বাড়িয়ে ৬০ বছর করেছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা অর্থনীতি শুধু কৃষির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখিনি, শিল্পায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। শ্রমিক সমাজের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে শ্রমিকদের ভাগ্যোন্নয়ন হয়েছে। শ্রমিক, মেহনতি মানুষ, খেটে খাওয়া মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা এবং তাদের পরিবারের উন্নত ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের জন্য আওয়ামী লীগ সরকার কাজ করছে। আমরা এটাই করতে চাই। এই নীতি নিয়েই আমরা দেশ পরিচালনা করি।
সরকারপ্রধান বলেন, প্রবাসীদের জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক করেছি। শ্রমিকরা যাতে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বিদেশ যেতে ও পরিশোধ করতে পারে সে-জন্যই এই ব্যাংক। কাজেই অনুরোধ থাকবে আমাদের যে ৫ হাজার ২৭৫টি ডিজিটাল সেন্টার আছে তার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে কোথায় কি কাজ করতে যাচ্ছেন, কত টাকা বেতন পাবেনÑ সেই তথ্য নিয়েই বিদেশে যাওয়া উচিত।
শ্রমিকসেবা বাড়াতে ট্রেড ইউনিয়ন রেজিস্ট্রেশন সহজীকরণ করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে শ্রমিক পরিদর্শনের একটা বিষয় রয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে। এজন্য শ্রমিক পরিদর্শন অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। এর কার্যক্রম শুরুও হয়েছে। অ্যাপে অনলাইনের মাধ্যমে যাতে পরিদর্শন করে শ্রমিকের কল্যাণে কাজ করা যায়। অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে শ্রমিকদের কল্যাণ সাধন।
আওয়ামী লীগ সরকার শ্রমিকবান্ধব হওয়ায় দেশে ট্রেড ইউনিয়নের সংখ্যা বেড়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের গৃহীত পদক্ষেপের ফলে ২০১৩ সালে যেখানে তৈরি পোশাক খাতে ট্রেড ইউনিয়নের সংখ্যা ছিল মাত্র ৮২, সেখানে আজ ৮৮২ ট্রেড ইউনিয়ন হয়েছে। তাছাড়া সমস্ত সেক্টরে আমাদের ট্রেড ইউনিয়নের সংখ্যা ৮ হাজার ৩৪। জানি না পৃথিবীর উন্নত দেশেও এতগুলো ট্রেড ইউনিয়ন আছে কি না? এ-সময় তিনি জানান, রাজধানীর বিজয়নগরে ২৫ তলা শ্রম ভবন নির্মাণ করছে সরকার। শীঘ্রই এটি উদ্বোধন করা হবে।

শ্রমিক লীগের নতুন নেতৃত্ব
ফজলুল হক মন্টু সভাপতি, কেএম আযম খসরু সাধারণ সম্পাদক

গত ৯ নভেম্বর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিত জাতীয় শ্রমিক লীগের দ্বিতীয় অধিবেশনে সভাপতি পদে ফজলুল হক মন্টু এবং কেএম আযম খসরুকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এছাড়াও মোল্লা আবুল কালাম আজাদকে কার্যকরী সভাপতি করে শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি।
নতুন সভাপতি ফজলুল হক মন্টু জাতীয় শ্রমিক লীগের বিদায়ী কমিটির কার্যকরী সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক কেএম আযম খসরু প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং কার্যকরী সভাপতি মোল্লা আবুল কালাম আজাদ সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে সকালে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় শ্রমিক লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সারাদেশ থেকে আসা প্রায় ৮ হাজার কাউন্সিলর অংশ নেন।
ওবায়দুল কাদেরসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে কাউন্সিলের দ্বিতীয় অধিবেশনে সভাপতি পদে সাতজন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ১৩ জনের নাম প্রস্তাব করা হয়। তাদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি।

আরও পড়ুন
spot_img

জনপ্রিয় সংবাদ

মন্তব্য