Saturday, July 13, 2024

বাংলাদেশ আর অন্ধকারে ফিরে যাবে না

আমাকে বারবার মারবেন, আমি চুপ করে থাকব! দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ললিপপ খাব, তা কী হয়! এটা হয় না। আমরা সারাদেশেই আগে যেমন ছিলাম, তেমনই সতর্ক অবস্থায় থাকব।

উত্তরণ প্রতিবেদন: রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত গত ৩১ জানুয়ারি বিকালে শান্তি সমাবেশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি বলেন, বাংলাদেশ আলো থেকে আর অন্ধকারে ফিরে যাবে না। বিএনপির ক্ষমতায় যাওয়ার সব রঙিন খোয়াব অচিরেই কর্পূরের মতো উড়ে যাবে। বাংলাদেশে রিমোট কন্ট্রোলে আন্দোলন হবে না। তারেক রহমান রাজনীতি না করার মুচলেকা দিয়ে লন্ডনে পালিয়ে গিয়ে হুঙ্কার দিচ্ছেন টেক ব্যাক বাংলাদেশ।
৩০ জানুয়ারি রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, পথ হারিয়ে বিএনপি পদযাত্রা শুরু করেছে। তাদের রাজনীতি ভুলের চোরাগলিতে আটকে গেছে। পদযাত্রা করে উদ্ধার করা যাবে না।
২৮ জানুয়ারি দুপুরে উত্তরা আজমপুর আমির কমপ্লেক্সের সামনে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত শীতবস্ত্র বিতরণ ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে ফেলার দিবাস্বপ্ন দেখে লাভ নেই। আওয়ামী লীগ পালানোর দল নয়, আওয়ামী লীগ পালাবে না। আমরা রাজপথে আছি এবং থাকব। বিএনপি ঘোষিত পদযাত্রা কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা বিএনপির পদযাত্রা নয়, মরণযাত্রা। আগামী নির্বাচনে বিএনপির রাজনৈতিক মরণ হবে।
২৭ জানুয়ারি বিকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনসমূহের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে যৌথ সভায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি জোটের আন্দোলন চলে রিমোট কন্ট্রোলে অদৃশ্য নির্দেশে। দেশে আজগুবি খবর ছড়াচ্ছে বিএনপি ও তার দোসররা। সকল শক্তি এবং বেশ কিছু অপশক্তি আওয়ামী লীগবিরোধী জোট গঠন করেছে বিএনপির নেতৃত্বে।
২৬ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, সারাবছর, প্রতিদিনই কর্মসূচি থাকবে আওয়ামী লীগের। জেলা, উপজেলা, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন পর্যায়ে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। রাজপথ ছাড়বেন না, শহর ছাড়বেন না, সতর্ক থাকবেন প্রতিদিন। আওয়ামী লীগ পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে নেই। নির্বাচন পর্যন্ত রাজপথে, মাঠে আছি, থাকব। আমাদের প্রতিদিন কর্মসূচি আছে। বিএনপি কোন মুখে গণতন্ত্রের কথা বলেÑ এমন প্রশ্ন তুলে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, তারা ঘরেই তো গণতন্ত্রের চর্চা করে না। তারা দেশে গণতন্ত্র কীভাবে আনবে? তারা বিদেশিদের কাছে নালিশ করে বাংলাদেশে না-কি গণতন্ত্র নেই। তারা নিজেরাই গণতন্ত্রের চর্চা করে না। ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে বিএনপি গণতন্ত্রকে ধ্বংসের কিনারায় নিয়ে গেছে। ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ২৫ জানুয়ারি রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির কত হাঁকডাক, মির্জা ফখরুলের লালকার্ডের ফলাফল শূন্য। বিএনপি এখন পথহারা পথিকের মতো দিশেহারা। তিনি বলেন, বিএনপির আন্দোলন জোয়ার থেকে ভাটায় নেমে গেছে। তাদের কথা বিশ্বাস করে না এদেশের জনগণ।
২৩ জানুয়ারি রাজধানীর মিরপুরের কচুক্ষেত রোডে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণ আওয়ামী লীগের সঙ্গে রয়েছে। বিএনপির সঙ্গে নেই। টেমস নদীর পাড় থেকে আসা অদৃশ্য নির্দেশে চলা বিএনপি রাজনীতিকে নষ্ট করেছে। এর অবসান হতে হবে। এ থেকে বের হতে না পারলে বিএনপি কখনও আন্দোলন ও নির্বাচনে সফল হবে না। তিনি বলেন, বিএনপি গণতন্ত্র এবং মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ হত্যাকারী। যারা ১ কোটি ভুয়া ভোটার, ভুয়া ভোটের জন্ম দিয়েছে; তারা কী করে রাষ্ট্র মেরামত করবে? রাষ্ট্র মেরামত করবে শেখ হাসিনার সরকার। তার সরকার দেশে প্রথম নির্বাচন কমিশনকে আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন ব্যবস্থা বিএনপি ধ্বংস করেছে। আর শেখ হাসিনা তা মেরামত করেছেন। বিশ্ব সংকটে বিশ্বের বড় বড় দেশ যেখানে সংকটে সেখানে অনেকেই বাংলাদেশের সুনাম করছে।
২০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলীয় প্রধান কার্যালয়ে ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটির উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতন্ত্রকে নষ্টকারী বিএনপির মুখে গণতন্ত্রের বুলি শোভা পায় না। আমাদের গণতন্ত্র আমরাই চালাব। বিদেশি কারও ফরমায়েশে চলবে না। তিনি বলেন, শত বাধা-বিপত্তির মধ্যেও শেখ হাসিনা গণতন্ত্র বিকাশে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। ১৭ জানুয়ারি বিকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, হতাশায় বিএনপির বাজার ভেঙে যাচ্ছে, বিএনপির জোটের বাজার ভেঙে যাচ্ছে, এ হতাশার জোট দিয়ে শেখ হাসিনা সরকার হটানো দূরাশার বাণী। সরকারের পরিবর্তন চাইলে নির্বাচনে আসুন। সরকার নির্বাচন নিয়ে মাথা ঘামাবে না, নির্বাচন করবে নির্বাচন কমিশনার। দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগের শত্রু আওয়ামী লীগ হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাবে কে? ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার শক্তি বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দলের নেই।
১৬ জানুয়ারি দুপুরে বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে এবং ভাটারার মাদানী এভিনিউ ১০০ ফুট রাস্তায় ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচি ও শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, টানেলসহ উন্নয়নের একের পর এক প্রকল্প বাস্তবায়নে বিএনপি চোখে সরষে ফুল দেখছে। কারণ, তারা এসব উন্নয়ন কখনোই দেখাতে পারেনি। খাদ্যে দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ায় বিএনপির মনে জ্বালা। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, শত শত সেতু। সামনে ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ আরেকটি মেট্রোরেল লাইন হবে এবং পাতালরেলের উদ্বোধন হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে ৬টি এমআরটি লাইন গড়ে ঢাকার আশপাশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে। বিএনপির উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ এদেশে ভেসে আসা দল নয়। এ দলের শেকড় অনেক গভীরে। সরকার পতন করবেন, শেখ হাসিনাকে হটাবেন, বাংলার মানুষ চুপ করে বসে থাকবেন না।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, মানুষের জানমাল নিয়ে খেললে এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে খেলা হবে। তুমুল খেলা হবে, প্রতিদানমূলক খেলা হবে। রাজপথে থেকে আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে নেতাকর্মীদের তৈরি হওয়ার আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।
১৫ জানুয়ারি নীলফামারীর সৈয়দপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে নীলফামারী ও রংপুর বিভাগের অন্যান্য জেলার শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণকালে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে এসেছেন। শেখ হাসিনাই বাবার পাশে মায়ের নামের ব্যবহার শুরু করেছেন। তিনি মায়েদের সম্মান দিয়েছেন। তিনি সবসময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এ অঞ্চলের জন্য ৯ লাখ শীতবস্ত্র দিয়েছেন তিনি। আজ রংপুর বিভাগের ৮টি জেলায় ২৭ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে। সেতুমন্ত্রী বলেন, উত্তরাঞ্চলে এখন আর মঙ্গা নেই। প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া পলিসির কারণে মঙ্গা আজ জাদুঘরে। উত্তরাঞ্চলের মানুষ ভাগ্যবান। এলেঙ্গা থেকে বগুড়া হয়ে রংপুর পর্যন্ত সিক্স-লেন হচ্ছে। ফোর-লেন যাচ্ছে পঞ্চগড় পর্যন্ত।
সৈয়দপুরের অফিসার্স কলোনি, ফাইভ স্টার মাঠে নীলফামারী জেলা আওয়ামী লীগের সহযোগিতায় জেলার শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তিনি।
১৪ জানুয়ারি ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনসমূহের এক যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি দেশকে অস্থিতিশীল করতে নাশকতার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে জনগণের জানমাল রক্ষায় আওয়ামী লীগ আগের চেয়ে বেশি সুদৃঢ় ও সতর্ক অবস্থায় থাকবে।
১১ জানুয়ারি দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানের বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি-জামাত দেশকে ধ্বংস করে। যারা দেশকে ধ্বংস করে তারা কীভাবে রাষ্ট্র মেরামত করবে? স্বাধীনতাবিরোধী জঙ্গিবাদী বিএনপি-জামাতের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে পারি না। ওরা দেশকে ধ্বংস করে। বাংলাদেশের জনগণ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। কী দেখাবেন আপনারা? মুখে মিথ্যাচার আর বিষোদগার। আপনাদের নেই মেট্রোরেল, নেই পদ্মা সেতু, নেই বঙ্গবন্ধু টানেল, নেই উড়াল সেতু, নেই আন্ডারপাস, নেই একদিনে শত সেতু, কে করেছে, শেখ হাসিনা করেছেন।
১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে রক্ষিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ওবায়দুল কাদের বলেন, ১০ ডিসেম্বর তো গেল, আওয়ামী লীগ কী মোকাবিলা করেনি? আজকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ঐক্যবদ্ধ, অনেক বেশি শক্তিশালী। আমরা যে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র, যে কোনো ধরনের আন্দোলনের নামে সহিংসতার সমুচিত জবাব দিতে প্রস্তুত।
৭ জানুয়ারি দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে নতুন কমিটির সদস্যদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিন। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে অনেক চ্যালেঞ্জ আসতে পারে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আওয়ামী লীগ সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
৬ জানুয়ারি সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সম্পাদকমণ্ডলীর সঙ্গে সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের যৌথসভায় ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনি আমাকে বারবার মারবেন, আমি চুপ করে থাকব! দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ললিপপ খাব, তা কী হয়! এটা হয় না। আমরা সারাদেশেই আগে যেমন ছিলাম, তেমনই সতর্ক অবস্থায় থাকব।

পূর্ববর্তী নিবন্ধকবিতা
পরবর্তী নিবন্ধ৪০ মিনিটে কমলাপুর থেকে পূর্বাচল
আরও পড়ুন
spot_img

জনপ্রিয় সংবাদ

মন্তব্য