Saturday, July 13, 2024

কোভিড-১৯ রোগ

অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে (WHO) চীন সরকার ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ একটা নতুন রোগের আবির্ভাবের কথা জানায়। বেইজিং থেকে প্রায় সাড়ে ৬০০ মাইল দূরে চীনের কেন্দ্রস্থলে উহান নামে এক শহরে ১১ জানুয়ারি ২০২০ প্রথম রুগীর মৃত্যু ঘটে। ৭ জানুয়ারি ২০২০ চীনের গবেষকরা এই নতুন রোগের জীবাণু করোনাভাইরাসের জেনেটিক (Genetic) গঠন আবিষ্কার করে এবং ১০ জানুয়ারি বিশ্বের বৈজ্ঞানিকদের তা জানায়। ২৩ জানুয়ারির মধ্যে এই রোগ যে একজন মানুষ থেকে অন্য মানুষে সংক্রমণ হয় তা বলা হলো এবং চীনের কয়েকটা শহরে গণপরিবহন বন্ধ করে দেওয়া হলো। চীনের বাইরেও এই রোগ ছড়িয়ে পড়ল। ৩০ জানুয়ারি WHO এই রোগকে আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করল। ১১ ফেব্রুয়ারি WHO এই রোগের নাম দিল Novel Coronavirus ‘Covid-19’; জীবাণুর নাম দিল SARS- Corona virus-2, যেহেতু এর পূর্ববর্তী SARS- Severe Acute Respiratory Syndrome রোগের জীবাণু করোনাভাইরাসের সঙ্গে এর মিল আছে। ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ এই রোগ ইরান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইতালি, আমেরিকা ইত্যাদি দেশে দেখা দিল। ১১ মার্চ WHO এই রোগের প্রাদুর্ভাবকে Pandemic বা বিশ্বব্যাপী মহামারি ঘোষণা করে। গত ৩১ আগস্ট নাগাদ পৃথিবীর ২১৫টি দেশ বা Territory-তে ২ কোটি ৫৫ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছে ও ৮ লাখেরও বেশি মানুষ মারা গেছে।
আক্রান্ত হলে কিছু কিছু মানুষের কোনো উপসর্গই থাকে না। কিন্তু তারা জীবাণু ছড়ায়। সংক্রমণ হওয়া থেকে শুরু করে লক্ষণ দেখা দেওয়া পর্যন্ত সময় গড়ে পাঁচ দিন। কিন্তু তা দুই থেকে ১৪ দিন হতে পারে। সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছেÑ জ্বর, কাশি, শরীর ব্যথা, দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট, পাতলা পায়খানা, ঘ্রাণ ও স্বাদ না থাকা। কিছু রোগীর জটিলতা দেখা দেয়। অন্যতম জটিলতা হলো Acute Respiratory Distress Syndrome (ARDS), যা শরীরের জীবাণু প্রতিরোধকারী কোষগুলো থেকে অতিমাত্রায়Cytokineনির্গত হওয়ার জন্য ঘটে বলে ধারণা করা হয়। তীব্র নিউমোনিয়া দেখা দেয়। শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে। বিভিন্ন যন্ত্রের ক্রিয়া কমে যেতে পারে। খিঁচুনি, স্ট্রোক, এনকেফালাইটিস, হৃৎপি-ে অনিয়মিত সংকোচন-প্রসারণ, হার্ট ফেইলিওর ইত্যাদি জটিলতাও হতে পারে। বেশিরভাগ রুগী মৃদু (৪০ শতাংশ) থেকে মাঝারি (৪০ শতাংশ) পর্যায়ে ভুগে সেরে ওঠে। ১৫ শতাংশ রোগীর তীব্র (ফুসফুসে জটিলতার কারণে রক্তে অক্সিজেন কমে যাওয়া) ও ৫ শতাংশ ঈৎরঃরপধষ (অন্যান্য জটিলতাসহ) পর্যায়ে রোগ হয়। কিছু কিছু মানুষের রোগ হলে তীব্রতা এবং মৃত্যুঝুঁকি বেশি। এর মধ্যে রয়েছেনÑ বয়স্ক মানুষ, স্থূলকায় মানুষ, যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুস, হৃৎপি- বা কিডনি রোগ আছে, যারা ক্যানসার আক্রান্ত বা অন্য কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম ইত্যাদি।
করোনাভাইরাস একশ্রেণির ভাইরাস জাতীয় জীবাণু যেগুলো স্তন্যপায়ী প্রাণী ও পাখির রোগ সৃষ্টি করে। মানুষের সাধারণ সর্দি-কাশির ১৫ শতাংশ ৪টি করোনাভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট। এগুলো সাধারণত মৃদু রোগ সৃষ্টি করে। ৩টি করোনাভাইরাস দ্বারা মারাত্মক রোগ সৃষ্টি হয়।
(1) Middle East Respiratory Syndrome Related Coronavirus (MERS-Cov)
(2) Severe Acute Respiratory Syndrome Coronavirus (SARS-Cov)
(3) Severe Acute Respiratory Syndrome Coronavirus 2 (SARS-Cov2)

SARS ২০০৩ সালে মহামারির সৃষ্টি করে। ২৬টি দেশে ৮ হাজারেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয় ও প্রায় ৮০০ জন মারা যায়। গঊজঝ ২০১২ সালে ২৭টি দেশে প্রায় আড়াই হাজার আক্রান্ত ও ৮০০-র অধিক মানুষের মৃত্যু ঘটায়। SARS-Cov 2 মানুষের জন্য একটা নতুন ভাইরাস। ধারণা করা হয়, এটা একটা বাদুড়ের ভাইরাস। জেনেটিক (Genetic) পরিবর্তন হওয়ার কারণে তা সম্ভবত Pangolin নামে এক প্রকার স্তন্যপায়ী প্রাণীতে সংক্রমণ করতে সক্ষম হওয়ার পর তা মানুষকে সংক্রমণ করতে সক্ষমতা অর্জন করেছে।
ভাইরাস বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ছড়ায় মানুষ কাছাকাছি থাকার জন্য। আক্রান্ত মানুষ হাঁচি ও কাশি দেওয়া বা কথা বলার সময় তার নাক ও মুখ থেকে নির্গত Droplet (বাতাসে ভাসমান নাক বা মুখের নিঃসরণের ক্ষুদ্র কণা) বাতাসে ভাসে। এগুলো ১০ মিনিট বা তারও বেশি সময় বাতাসে ভাসতে পারে। অন্য মানুষ শ্বাসের সঙ্গে এটা গ্রহণ করলে সংক্রমণ হয়।Droplet-গুলো বাতাস থেকে মাটিতে অথবা কোনো সমতল জায়গার (যেমন টেবিল) ওপর পড়ে। এ-ধরনের সমতল স্থানে হাত রেখে সেই হাত নাকে, মুখে, চোখে ছোঁয়ালেও রোগ হতে পারে। লক্ষণ দেখা দেওয়ার আগেও রুগী রোগ ছড়ায়। তবে সাধারণত লক্ষণ দেখা দেওয়ার পর প্রায় তিন দিন এটা বেশি ছড়ায়। রোগ নির্ণয়ের জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হচ্ছে নাক ও মুখগহ্বরের পিছন দিক থেকে বিশেষ ধরনের Swab-এর সাহায্যে নমুনা সংগ্রহ করে RRT-চঈজ নামে একটা পদ্ধতির মাধ্যমে জীবাণুর উপস্থিতি পরীক্ষা করা। অন্যান্য পদ্ধতি (যেমন Antigen পদ্ধতি) এতটা নির্ভরযোগ্য হয়ে ওঠেনি। আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তে এক বা দু-সপ্তাহ পর থেকে Antibody পাওয়া যায়। এটা রোগ নির্ণয়ের জন্য ব্যবহার করা হয় না, কতজনের সংক্রমণ হয়েছে তা জানার জন্য ব্যবহার করা হয়। অন্যান্য অনেক পরীক্ষা শরীরে রোগের কারণে পরিবর্তন নির্ণয় করার জন্য করা হয়। ফুসফুসের অবস্থা (বুকের এক্স-রে ও সিটি স্ক্যানের দ্বারা) পরীক্ষা রোগ নির্ণয়ে সহায়ক।
রোগ প্রতিরোধের জন্য যাদের রোগ ধরা পড়েছে বা রোগ আছে বলে সন্দেহ করা যায়, তাদের আলাদা থাকার ব্যবস্থা (Isolation) করতে হবে। একজন মানুষ আর একজন মানুষের কাছ থেকে নিরাপদ দূরত্ব (২ মিটার) বজায় রাখতে হবে। নাক ও মুখ যথাযথভাবে মাস্ক দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। মেডিকেল Grade Mask শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যবহার করতে দেওয়া দরকার। যারা Covid-19 রুগীর চিকিৎসায় নিয়োজিত আছেন, তারা Personal Protective Equipment (PPE) পরিধান করবেন। ঘন ঘন হাত ধোয়া (কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড), বাইরে গেলে ভিড় পরিহার করা, এগুলোও এর মধ্যে আছে। নির্দিষ্ট সময় স্কুল, কর্মস্থল, দোকানপাট বন্ধ করে মানুষের নিজ গৃহে রাখা, ভ্রমণ বাতিল করাও এ-ধরনের Public Health Measure-এর দ্বারা সংক্রমণের হার কমানো যায়।
সাধারণত মৃদু থেকে মাঝারিভাবে আক্রান্ত মানুষকে বাড়িতে Isolation-এ রেখে চিকিৎসা করা যায়। যাদের শ্বাসকষ্ট হয়, রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায় বা অন্য জটিলতা দেখা দেয়, তাদের হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয়। হাসপাতালে আলাদা রেখে চিকিৎসা করা হয়। অক্সিজেন দেওয়ার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি যেমন High Flow Nasal Cannula, Ventilator ইত্যাদির ব্যবস্থা থাকা দরকার। এখন পর্যন্ত জীবাণু বিধ্বংসী ওষুধ আবিষ্কার হয়নি। তবে Remdesivir নামক ওষুধ রোগের সময় কমিয়ে আনতে পারে; রক্ত জমাট বাঁধা বন্ধ করতে Low Molecular Weight Heparin কাজ করে। তীব্র রোগে Dexamethasone সাহায্য করতে পারে। ২৬ মে তারিখে WHO হাইড্রক্সিক্লরোকুইন নামক ওষুধ ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ছাড়া ব্যবহার করার নিষেধাজ্ঞা জারি করে। চিকিৎসার জন্য MRNA-ভিত্তিক জীবাণু বিধ্বংসী Antibody তৈরি করার পরীক্ষা চলছে।
অনেক ওষুধের কার্যকারিতা দেখার জন্য Clinical Trial (বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষা) করা হচ্ছে। ৩০০-রও অধিক Clinical Trial পৃথিবীতে চলছে। যেহেতু নতুন ওষুধ তৈরি করে তা পরীক্ষামূলক পর্যায়ে নিয়ে আসতে সময় লাগে, সেজন্য বিদ্যমান ওষুধগুলোর মধ্য থেকেই বেশিরভাগ পরীক্ষা চলছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে- অহঃরারৎধষ ঔষুধ, Antiviral Jlya, Monoclonal Antibody, Immune Modulator ইত্যাদি।
রোগ প্রতিরোধের জন্য বিরাট কর্মকা- চলছে। WHO-এর মহাপরিচালকের মতে, সারা পৃথিবীতে ১৪১টি ভ্যাকসিন বিভিন্ন পর্যায়ের Development-এ আছে। এর মধ্যে ১৭টি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে আছে। যার মধ্যে একটা তৃতীয় পর্বে পৌঁছেছে। তৃতীয় পর্বে অনেক সংখ্যক মানুষকে ভ্যাকসিন দিয়ে এর কার্যকারিতা দেখা হয়। তৃতীয় পর্বে সফল হলেই সাধারণের ব্যবহারের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়। চীন তার সামরিক বাহিনীতে সীমিত ব্যবহারের জন্য একটা পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিন বিশেষ অনুমোদন দিয়েছে, যা প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে কার্যকর প্রমাণ হওয়ার পর তৃতীয় পর্বে প্রবেশ করেছে। অতীতে SARS-Cov এর ভ্যাকসিন তৈরির অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি কাজে লাগানো হচ্ছে, এতে সময় অনেকটা কমানো গেছে।
উহানে শহরে হুনান Seafood Wholesale Market-এ বিক্রয়ের জন্য আনা প্রাণীর কাছ থেকে Covid-19 প্রথম ছড়ায় বলে অনেকে মনে করেন। এর মধ্যে বন্যপ্রাণীও ছিল। বৈজ্ঞানিকদের মতে, বনভূমি উজাড় করে চাষাবাদ, শিল্প ইত্যাদি গড়ে তোলায় বন্যপ্রাণী মানুষের আরও কাছে আসতে পারছে। এতে বন্যপ্রাণীর জীবাণু মানুষের শরীরে সংক্রমণের সম্ভাবনা বাড়ছে। HIV-AIDS, Ebola, Marburg Fever, Nipah Virus ইত্যাদি রোগ প্রাণী থেকে মানুষে ছড়ায়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেও বিভিন্ন প্রাণী ও জীবাণু তাদের নিজস্ব বসবাসের স্থান পরিবর্তন করছে। Covid-19 জাতীয় মহামারির পূর্বাভাষ বৈজ্ঞানিকরা প্রায় ১৫ বছরের বেশি আগে থেকে দিয়ে আসছেন।
এই রোগের ফলে বিশ্বে ১৯৩০-এর দশকের পরবর্তী সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল অনুযায়ী বিশ্বের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বর্তমানের চেয়ে ৫ শতাংশ কম হবে। বিশ্ববাণিজ্য ৩২ শতাংশ কমবে। ইতোমধ্যেই উন্নত দেশগুলোতে প্রায় ২০ কোটি মানুষ বেকার হয়ে গেছে। এছাড়া সামাজিক ক্ষতিও ব্যাপক। ১৭২টি দেশে অনেক স্থানে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দিতে হয়েছে, বিশ্বের মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ৯৮ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কোভিড-১৯ রোগের আক্রমণে পৃথিবীর বহু দেশে ব্যাপক অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষতি হয়েছে। অনেক মানুষের মনে হতাশা ও বিষাদ দেখা দিয়েছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বাড়িতে বন্ধ থাকার জন্য মানসিক চাপ। এই রোগের ফলে মানবজাতিও ধ্বংস হবে না, পৃথিবীও শেষ হয়ে যাবে না। এই রোগ মোকাবিলা করার জন্য পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বৈজ্ঞানিক গবেষণা কর্মকা- চলছে। একটি রোগের জন্য একসঙ্গে এতগুলো ওষুধের কার্যকারিতা প্রমাণ করার জন্য ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ইতিহাসে কখনো ঘটেনি। বড় সাফল্য না এলেও ইতোমধ্যেই Low Molecular Weight Heparin, Remdisivir, Dexamethasone কিছুটা কার্যকারিতা দেখিয়েছে। অভূতপূর্ব তৎপরতার সঙ্গে ভ্যাকসিন ট্রায়াল চলছে। অনেক বৈজ্ঞানিক আশাবাদী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে এক বা একাধিক ভ্যাকসিন কার্যকর বলে প্রমাণ পাওয়া যাবে। কার্যকর ভ্যাকসিন বিপুল হারে উৎপাদন করে ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে মানুষকে দিতে পারলে এই রোগের সৃষ্ট বিপর্যয় থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
আমাদের দেশে সীমিত সম্পদ ও জনবল নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এই রোগের সঙ্গে যুদ্ধ করে যাচ্ছেন। রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখার সঙ্গে সঙ্গে অর্থনীতি সবল রাখা কঠিন সংগ্রাম। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে সাইক্লোন ও বন্যা। এরপরও দেশে খাদ্যাভাব দেখা দেয়নি। প্রথমদিকে চিকিৎসা ব্যবস্থার অপ্রতুলতা ও রোগের নতুনত্বের কারণে কিছুটা সমস্যা দেখা দিলেও, ক্রমেই তা কাটিয়ে ওঠা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে স্বাস্থ্য, শিল্প, কৃষি ইত্যাদি সব খাতের খবর নিচ্ছেন ও নির্দেশনা দিচ্ছেন। আমরা এই সংকট তার নেতৃত্বে কাটিয়ে উঠব।

লেখক : সাবেক অধ্যাপক গ্যাস্ট্রএনটারোলজি ও উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

পূর্ববর্তী নিবন্ধশেখ হাসিনার শুভ জন্মদিনে
পরবর্তী নিবন্ধ“আমি বঙ্গবন্ধুর মেয়ে…”
আরও পড়ুন
spot_img

জনপ্রিয় সংবাদ

মন্তব্য