Friday, February 23, 2024
বাড়িউত্তরণ ডেস্কআলো ফিরছে ক্রীড়াঙ্গনে

আলো ফিরছে ক্রীড়াঙ্গনে

উত্তরণ ডেস্ক : করোনাভাইরাস আতঙ্কে থমকে ছিল মাঠ-বল-গ্যালারি-নেট। অনেকদিন ধরে স্তব্ধ ছিল খেলার দুনিয়া। এই অজানা ভাইরাসের কাছে ক্রীড়াঙ্গনও বড্ড অসহায়। প্রকৃতির অণুজীবের ঘেরাটোপে খেলার দুনিয়ায় নেমে এসেছিল মেঘকালো স্থবিরতা। সেই স্তব্ধ ক্রীড়াঙ্গনে বুন্দেসলিগার হাত ধরে দীর্ঘদিন পর ফিরছে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের বাঁধভাঙা জোয়ার। মাঠে-নেটে ফিরেছে আলোর ঝরনাধারা। করোনা আতঙ্ককে সরিয়ে সবার আগে জেগে উঠেছিল জার্মান বুন্দেসলিগা। তারা ভেঙে দিয়েছে ক্রীড়াঙ্গনের লকডাউন। সেই সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়া-চীন-জাপানের ক্রীড়াঙ্গনেও ফিরছে প্রাণচাঞ্চল্য। প্রাণ ফিরেছে ইউরোপের বনেদি অঞ্চলের ফুটবলেও। সরব স্প্যানিশ লা লিগা, ইংলিশ লিগের সঙ্গে চালু হয়েছে ইতালিয়ান সিরি-এ। আশা করা যায়, অন্যান্য দেশের মতো অচিরেই জেগে উঠবে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনও।

ফুটবলে জার্মানির বাজিমাত
জার্মানিতে করোনাভাইরাসের প্রভাব সরিয়ে শেষ করেছে সে-দেশের ফুটবল লিগ। যা এখন সারাবিশ্বের কাছে ‘মডেল নীতি’ বলে গণ্য হচ্ছে। এ সময় মাঠে কঠোর নিয়মবিধি মানতে হয়েছে ফুটবলারদের। মাঠে ছিল না দর্শক। অন্যসবও ছিল সীমিত। তবে সবার আগে ফুটবল দিয়ে ক্রীড়াঙ্গন সচল করে বাজিমাত করেছে জার্মানি। এখনও সারাবিশ্ব করোনাভাইরাসের করালগ্রাস থেকে মুক্ত হয়নি। কিন্তু করোনাকে পায়ে দলে এরই মধ্যে জার্মানি ঘরোয়া ফুটবল সচল করে আলোচিত হয়েছে বুন্দেসলিগা কর্তৃপক্ষ। গত ১৩ মার্চ করোনার কারণে লিগ বন্ধ হয়েছিল। ১৮ টিমের লিগের এখনও ১৩টি করে ম্যাচ বাকি। ১৬ মে থেকে শুরু হওয়া এই আসরের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে লিগ জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখ। এটা ছিল তাদের লিগে ৩০তম শিরোপ জয়। চালু হওয়া বুন্দেসলিগা ১৭ জুলাই শেষ হবে।

যেভাবে বুন্দেসলিগা মাঠে গড়িয়েছে
জার্মান ফুটবল ফেডারেশন এ জন্য একটা গাইডলাইনও প্রকাশ করেছিল। লিগ শুরু হলেও তা দর্শকশূন্য থাকছে। দুই টিম, রেফারি, কর্তা, ক্যামেরা ক্রু, বলবয়, মেডিকেল টিম, মাঠকর্মী, নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে ম্যাচে ৩০০ জনের বেশি ঢুকতে পারে নি। মাঠে বলবয়ের সংখ্যা কমিয়ে চার জন করে দেওয়া হয়েছিল। ফুটবলারদের মাঠে আনতে বা ফেরত নিয়ে যেতে একাধিক টিম বাসের ব্যবহার করা হয়েছে। টিম মিটিংয়ের জন্য কনফারেন্স রুম বড় করা হয়েছিল। প্র্যাক্টিসে ফুটবলারদের আসতে হয়েছিল নিজের দায়িত্বে, আলাদা গাড়িতে। কম প্র্যাক্টিস হয়েছে। কোচ দূরত্ব রেখেই নির্দেশ দিয়েছেন মাস্ক পরে। মাঠ বা ক্যান্টিনে কোনো খাবার খাওয়ার সুযোগ ছিল না। যেসব ফুটবলার হোটেলে থেকেছেন, তারা নিজের ঘর নিজে পরিষ্কার করেছেন। আলাদা ওয়াশিং মেশিনে নিজেদের জামাকাপড় ধুয়েছেন। গাইডলাইনে ফুটবলারদের ব্যক্তিগত ব্যাপারেও হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ফুটবলাররা যেন লিগ শুরুর আগে থেকে যৌন-সংসর্গে লিপ্ত না হন। খেলোয়াড়দের এবং তাদের নিকটজনদের নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষা হয়েছে। ম্যাচের আগে ফুটবলারদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হয়েছে। হাইজিন অফিসার উপস্থিত থেকেছেন প্র্যাকটিস ও ম্যাচের আগে। ফুটবলাররা তাদের জীবনযাত্রার যাবতীয় খুঁটিনাটি আগেভাগেই জানিয়েছেন।
বিশ্বের সেরা ফুটবল লিগগুলোর অন্যতম বুন্দেসলিগা। বন্ধ থাকার পর ১৬ মে ডর্টমুন্ড-শালকের ডার্বি ম্যাচ দিয়ে ফের ফুটবল ফিরছিল লোথার ম্যাথিউজদের দেশে। এদিন মোট ৬টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে করোনা-আবহে। নেওয়া হয়েছে বিশেষ সতর্কতা। দর্শকশূন্য গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ম্যাচ। ম্যাচের আগে বা পরে ফুটবলারদের গ্রুপ ফটো তোলার সুযোগ হয়নি। মাঠের মধ্যে ম্যাচ চলাকালীন চরম নিষেধাজ্ঞা ছিল করমর্দনেও। এমন কী, মাঠের মধ্যে থুথু ফেললেও কড়া শাস্তির বিধান ছিল। নিয়মিতভাবে ফুটবলারদের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। বুন্দেসলিগা চলাকালে অনুশীলন ও টিম হোটেলের বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি ফুটবলারদের। করোনা সংক্রমণ রুখতে প্রতি ম্যাচে দু-দলের ফুটবলার, ম্যানেজার, সাপোর্ট স্টাফ, ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা আধিকারিক, মাঠের কর্মী, নিরাপত্তারক্ষী ও সাংবাদিক মিলিয়ে মাত্র ৩২২ জনকে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল স্টেডিয়ামে থাকার।
বুন্দেসলিগা যখন চালু হয় তখন সব জনপ্রিয় ফুটবল লিগগুলোই ছিল বন্ধ। সেই সুযোগে আগেভাগে লিগ শুরু করে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের আকর্ষণ করেছে বুন্দেসলিগা। তবে দর্শকপূর্ণহীন পরিবেশ ফুটবলারদের বরাবরই অপছন্দ। ফুটবলাররা দর্শকপূর্ণ পরিবেশেই খেলতে পছন্দ করে সব সময়। মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে গ্যালারি থেকে দর্শকদের চিৎকার কানে পৌঁছনো মাত্র অদ্ভুত একটা অনুভূতি হয়। নিজেকে উজাড় করে দেওয়ার তাগিদটা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। সেই গ্যাপ পূরণ করতে দক্ষিণ কোরিয়ায় ফুটবল মাঠে স্টেডিয়ামের পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেমে বাজানো হয়েছিল দর্শকদের চিৎকারের শব্দ। দুধের স্বাদ কি আর ঘোলে মিটে! বুন্দেসলিগায় নিঃস্তব্ধ স্টেডিয়ামে শোনা গেছে শুধু রেফারির বাঁশির আওয়াজ। তবে গোলের পরে প্রলম্বিত বাঁশির শব্দ যেন ঘোষণা করছিলÑ ফুটবল ফিরেছে মূল স্রোতে। মাঠে খেলায় ছিল সাবলীল ভঙ্গি। মাঠে দর্শকরা না এলেও স্যাটেলাইট-টিভির কল্যাণে সম্পৃক্ত থেকেছেন। ফুটবলের ঝাঁঝালো স্বাদ উপভোগ করেছে বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী।
ম্যাচ চলাকালে ফুটবলাররা বসেছিল রিজার্ভ বেঞ্চ থেকে অনেক দূরে। মাঠেও একটু ভিন্ন ঘরানার উপস্থিতি দেখা গেছে। মাঠে নতুন নিয়ম আর নতুন অভ্যাসে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সবাই সরব ছিল! গোলের পরে আনন্দে কেউ সতীর্থকে জড়িয়ে ধরেছে, কিছুটা প্রশ্ন সৃষ্টি করেছিল। তবে করোনাকালে বুন্দেসলিগার ম্যাচের সার্বিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, আগের চেয়ে ট্যাকল, ড্রিবলের মাত্রা অনেক কম ছিল। যেমনÑ মার্চ মাসে লকডাউনের আগে জার্মান লিগে প্রতি ম্যাচে ট্যাকল হতো ৩৩.৫ শতাংশ, তা বন্ধের পর হয়েছিল ৩০.৫ শতাংশ। আগে প্রত্যেক ম্যাচে ড্রিবল হতো ৩৮.৫ শতাংশ, তা নেমে দাঁড়িয়েছিল ২৯ শতাংশে। ৯০ মিনিটে গড়ে একটি দল দৌড়েছে প্রায় ১৪৩.৪ মাইল। লকডাউনের আগে যা ছিল ১৪৪.৪ মাইল। করোনাকালে ফুটবল শুরু হওয়ার পরে শূন্যে বল দখলের লড়াইয়ের মাত্রা অনেকটা বেড়েছে।

শুরু হয়েছে মেসিদের ফুটবল লড়াই
স্প্যানিশ লিগে চলছে শিরোপা দখলের দারুণ লড়াই। কখনও মনে হচ্ছে রিয়ালের জন্য করোনা বছরটা অপেক্ষা করছে। কখনও মনে হচ্ছে জমে উঠতে পারে অন্য লড়াই। যদিও রিয়াল পয়েন্ট টেবিলে অনেক এগিয়ে। এদিকে বদলে যাওয়া পরিবেশে মাঠে নেমেছে বার্সার লিওনেল মেসিরা। বুন্দেসলিগার পর মেসিদের স্থগিত লিগ নতুন করে শুরু হয়েছে ১১ জুন। মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে ছিল লিওনেল মেসিরা। তবে ফাঁকা মাঠ নিয়ে কষ্টের সীমা ছিল না মেসির। কষ্টভগ্ন হৃদয়ে জানিয়েছেন, ‘ফাঁকা মাঠে খেলতে হচ্ছে, সে-ব্যাপারটা আমার কাছে অদ্ভুত মনে হয়েছে।’ মেসি বলেন, ‘এ-বছরটাতে আমরা কী ছেড়ে যাচ্ছি তা নিয়ে মাথা না ঘামানোই ভালো। তার চেয়ে আমাদের এগোতে হবে ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে।’ সঙ্গে যোগ করেছেন, ‘ফাঁকা মাঠে খেলাটা সকলের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে। আমার নিজেরই তো সেটা ভেবে খুব অদ্ভুত মনে হচ্ছে। তবে এখন যা পরিস্থিতি, তার সঙ্গে মানিয়ে নিতেই হবে। এ-সময়ে মানসিকভাবে নিজেকে তৈরি রাখাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। তবে তারপরও বলব, অন্য একটা অভিজ্ঞতা হতে চলেছে। মনে হচ্ছে যেন শূন্য থেকে শুরু করব।’ করোনা নিয়ে স্পেনে মেসি বলেছেন, ‘সব জায়গাতেই সংক্রমিত হওয়ার ভয় আছে। আর বাড়ি থেকে বেরোনোটাই তো ঝুঁকির। তাই আমি মনে করি, এটা নিয়ে আমাদের বেশি ভাবার দরকার নেই। বেশি ভাবলে আমরা কোনো লক্ষ্যই ছুঁতে পারব না। ব্যক্তিগতভাবে আবার ম্যাচ খেলার জন্য উন্মুখ হয়ে আছি।’ তিনি যোগ করেছেন, ‘এ মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ফুটবল, এ জন্য যা যা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তা সফল করতে সাহায্য করা। তবে সেই সঙ্গে আমাদের সবাইকে যতটা সম্ভব স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সতর্কতাও মেনে চলতে হবে। এ ব্যাপারে আত্মতুষ্ট হওয়ার কোনো জায়গা নেই।’
লিগ পয়েন্ট টেবিলে জমে উঠলেও বার্সেলোনায় এখনও বেশ কড়াকড়ি। ওষুধের দোকান, খাবারের দোকান খোলা থাকলেও আপৎকালীন পরিস্থিতি ছাড়া ঘর থেকে বেরোনো এখনও বারণ। না মানলে ৬০০ ইউরো জরিমানা করবে পুলিশ। করোনা সংক্রমণ যে এভাবে গোটাবিশ্বকে স্তব্ধ করে দেবে, তা কল্পনাও করতে পারেন নি মেসি। তিনি বলেছেন, ‘কেউই তা অনুমান করতে পারেন নি। এমন একটি অনিশ্চয়তার মধ্যে জীবন কাটছে যে, বেঁচে থাকা এবং কাজ করাই কঠিন হয়ে পড়ছে। আমরা সকলেই নিজেদের এই প্রশ্ন করছি, কবে আমরা নিজেদের চেনা পরিবেশে ফিরে যাব। যে কোনো ক্রীড়াবিদের কাছেই মনঃসংযোগ ধরে রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে আমি মনে করি।’ নিজের সম্পর্কে মেসি বলেছেন, ‘মাঠে আমি তো বাড়িতেও প্রত্যেক দিন অনুশীলন করছি। তবে দলের সঙ্গে অনুশীলন এবং এককভাবে অনুশীলনের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। নতুনভাবে মাঠে নামার আগে নিজেদের সম্পূর্ণভাবে তৈরি করে নিতে হবে।’ বার্সেলোনা তারকা জানিয়েছেন, ‘কোপা আমেরিকা পিছিয়ে যাওয়া হতাশাজনক, তবে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে এছাড়া অন্য কোনো পথও খোলা ছিল না। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই প্রতিযোগিতায় খেলার ব্যাপারে আগ্রহী ছিলাম।’

ইংলিশ লিগ ১৭ জুন
গত ১৭ জুন থেকে পুনরায় শুরু হয়েছে ইংলিশ ফুটবল লিগ। ১৩ মার্চ অনির্দিষ্টকালের জন্য লিগ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইপিএল কর্তৃপক্ষ। করোনা সংক্রমণ থাকলেও লিগ শুরু করা নিয়ে ব্রিটিশ ফুটবলমহল বেশ সরব হয়ে উঠেছিল বলেই আসর মাঠে গড়িয়েছে। পাশাপাশি চলতি বছরের আগস্টেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শেষ করতে মরিয়া ইউয়েফা। ফলে তার আগে ইপিএল শুরু করার চাপ ছিল ইউরোপের ফুটবল নিয়ামক সংস্থার। সেই চাপ থেকে মুক্তি পেতে ইংলিশ ফুটবল কর্তৃপক্ষ ঘরোয়া লিগ শুরু করেছিল।
ইপিএলে দুটি ম্যাচের অপেক্ষা ছিল লিভারপুলের। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে এখনও সাত রাউন্ডের মতো বাকি। সাত ম্যাচ হাতে রেখে প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে লিভারপুল। আর এটি সম্ভব হয়েছে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির নিয়মিত পয়েন্ট হারানোতে। ইতোমধ্যে আকাশি নীল জার্সিধারীদের থেকে ২৩ পয়েন্ট এগিয়ে অলরেডরা। ম্যানসিটির ব্যর্থতা এবং লিভারপুলের সফলতায় ১৯৯০ সালের পর প্রথমবারের মতো ইংলিশ ফুটবল লিগের শিরোপা জিতলো লিভারপুল। আর প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শিরোপা। লিভারপুলের চোখ ধাঁধানো মৌসুমটাকে রংহীন করে দিচ্ছিল করোনা। গত মার্চে স্থগিত হয়ে যাওয়া প্রিমিয়ার লিগ আবার ১৭ জুন ফিরেছে বটে, তবে ফিরেছিল দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে। করোনাভাইরাসের কারণে গত ১৩ মার্চ স্থগিত হয়ে গিয়েছিল লিগ, ঠিক ১০০ দিন পর আবার ফিরছে মাঠে। লিভারপুল শিরোপা জিতলেও উৎসবের বাতায়নে নিজেদের সমর্থকের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে পারেনি।

২০ জুন থেকে শুরু রোনালদোর সিরি-এ
করোনার ভয়কে এক পাশে রেখে পুরোপুরি রং নিয়েই ফিরছে সিরি-এ। করোনার কারণে তিন মাস লিগ বন্ধ থাকার পর ২০ জুন থেকে পুনরায় চালু হয় সিরি-এ। সব ম্যাচই অনুষ্ঠিত হয়েছে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে। করোনার আগে ইটালিয়ান কাপের দুটি সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লিগ এবং ফাইনাল ম্যাচও বাকি ছিল।
করোনার জেরে গত ৯ মার্চ বন্ধ হয়ে যায় সিরি-এ লিগ। সরকারি অনুমতি নিয়ে এবার ২০ জুন থেকে পুনরায় চালু হয়েছে ইতালি প্রিমিয়র ডিভিশন লিগ সিরি-এ। ২৬ রাউন্ড খেলা বাকি ছিল সিরি-এ-তে। লিগ বন্ধ হওয়ার আগে ২৬ ম্যাচে ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ছিল জুভেন্টাস। ১ পয়েন্ট কম নিয়ে রোনালদোদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে ল্যাজিও। লিগ চলছে সেই গতিতেই।

জাপানে ফুটবল অ্যাপ, ঘরে বসে গ্যালারির আবহ
ম্যাচের সময় স্টেডিয়ামের বিভিন্ন অংশে এবং দর্শকাসনে স্পিকার রাখা থাকবে। অ্যাপে একাধিক বোতাম রয়েছে। কোনোটা উন্মাদনা প্রকাশের জন্য। আবার কোনো বোতাম রয়েছে প্রিয় দলের জয় কামনা করে প্রার্থনা করার জন্য। আবার ক্ষোভ উগরে দেওয়ার জন্যও আলাদা বোতাম রয়েছে। ক্রীড়াপ্রেমীরা তাদের ইচ্ছেমতো বোতাম স্পর্শ করে নিজেদের মনোভাব জানাতে পারবে।

আরও পড়ুন
spot_img

জনপ্রিয় সংবাদ

মন্তব্য